ডেঙ্গু জ্বরের কারণ লক্ষণ প্রতিকার ও চিকিৎসা
শিশুদের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণও চিকিৎসা ২০২৫
ডেঙ্গু সংক্রমণের লক্ষণ গুলো কি কিঃ
লক্ষণ গুলি সাধারণ মশার কামড় থেকে ৪-৭ দিন পরে দেখা যায় এবং ১০ দিন স্থায়ী হতে পারে। এবং কিশোর কিশোরীদের মধ্যে লক্ষণ এবং উপসর্গগুলি সর্বদাই দেখা যায় না। বিশেষ করে হালকা সংক্রমনের ক্ষেত্রে।
ডেঙ্গু জ্বরের কারণঃ
সার্জারির এর কারণ ডেঙ্গু ভাইরাস, ডেঙ্গু জ্বর ৪ ধরনের ডেঙ্গু ভাইরাসে যেকোনো একটি কারণে হয়ে থাকে যা মশার কামড়ের মাধ্যমে রোগীর শরীরে ছড়ায়। মহিলা এডিস মশা ভাইরাসের বাহক হিসেবে কাজ করে এবং সংক্রামিত ব্যক্তি থেকে সুষ্ঠু ব্যক্তি কে বহন করে।
যদি কারো পূর্বে ডেঙ্গু সংক্রমণ হয়ে থাকে তবে দ্বিতীয়বার সংক্রমিত হলে তাদের গুরুতর জটিলতা এবং ডি এস এস হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
ডেঙ্গু জ্বরের সাধারণ লক্ষণঃ
- ১০৪° ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত উচ্চ জ্বর।এটা হঠাৎ ঘটতে পারে।
- তীব্র মাথা ব্যথা
- বমি বমি ভাব
- শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুসকুড়ি
- গ্রন্থি ফুলে যাওয়া
- শরীরে ব্যথা
- হাড় জযেন্ট ব্যাথা
- নাক বা মড়ি থেকে রক্তপাত এটি বেশিরভাগই হালকা
- তোকে সহজে ক্ষত
- কখনো কখনো ত্বকের নিচে সূক্ষ্ম পাত্রগুলি ক্ষতের মত দেখা যায়
- অবসাদ
- চোখের মনের পিছনে ব্যথা
বয়স্ক শিশুদের এবং তো বয়স্কদের মধ্যে লক্ষণঃ
- মাত্রাতিরিক্ত জ্বর
- ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালী
- রক্তনালী থেকে রক্ত বের হওয়া
- বমি প্রস্রাব হলে রক্ত
- রিস্ক্যাটিক সিস্টেমের ক্ষতি
- রক্তের প্লাটলেটের সংখ্যা কমে যায়
- যকৃতের বিদ্ধি
- পেটে তীব্র ব্যথা
- ঠান্ডা এবং ফ্যাকাসে চেহারা চামড়া (শক কারণে)
- নাক মাড়ি থেকে রক্তপাত
- সংবহনতন্ত্রের ব্যর্থতা
- খিটখিটে এবং অস্থির আচরণ
- শ্বাস নিতে অসুবিধা দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের দিক পরিচালিত করে
- লক্ষণগুলি ব্যাপক শক এবং মৃত্যুর দিকে অগ্রসর হতে পারে।
কখন ডাক্তার দেখাবেনঃ
আপনার যদি উপরের উপসর্গগুলির মধ্যে কোনটি থাকে, তবে আপনার ডাক্তার কে কল করুন, এবং ডেঙ্গু অন্য পরীক্ষা করুন।আপনার যদি গুরুতর পেট ব্যাথা,শ্বাস নিতে অসুবিধা, বমি বা রক্তপাতের মত গুরুত অক্ষুনগুলির মধ্যে কোন কোনটি লক্ষ্য করেন তবে জরুরি চিকিৎসার জন্য কল করুন।
ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসাঃ
রোগের জন্য কোন নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই। শুধুমাত্র লক্ষণীয় এবং সহায়ক চিকিৎসা আছে। তবে এটি গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ সাধারণত ডেঙ্গুর প্রভাব থেকে দুর্বল থাকে এবং সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধার করতে এবং জটিলতার উদ্বব রোধ করতে সহায়তার প্রয়োজন হয়। আপনার নিজেকে হাই ড্রেটেড রাখতে হবে। এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। আপনার যদি ডেঙ্গু হেমোরেজিক জ্বর থাকে, তাহলে আপনাকে হাসপাতাল ভর্তি হতে হবে।
আমরা কীভাবে প্রতিরোধ করতে পারিঃ
শুধুমাত্র একটি ডেঙ্গু ভ্যাকসিন এখনোও অনুমোদিত হয়েছে। যা ডেঙ্গু ভ্যাকসিন নামে পরিচিত। এটি ৯-৪৫ বছর বয়সী ব্যক্তিদের ৩ মাসের মধ্যে ১২ ডোজ দেওয়া হয়। বর্তমানে ডেঙ্গু জ্বরের অন্য কোন ভ্যাকসিন নেই। গবেষণা এটি নিয়ে কাজ করছেন। ডেঙ্গু জ্বরের কারণ রোধ করাই একমাত্র প্রতিরোধ। মশার বংশবৃদ্ধি এবং মশার কামড় প্রতিরোধ করা উচিত।
ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যুঃ
দেশের ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় সারাদেশে আরও ৩১৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। গতকাল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর হেলথ অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক এই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয় গত সোমবার সকাল আটটা থেকে গতকাল সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিপাক সিটি কর্পোরেশনের ৭২ জন।চট্টগ্রাম বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৪৯। ঢাকা বিভাগ সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৫৮ জন,
উপসংহারঃ
ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাস দ্বারা হয়। গুরু তোর ডেঙ্গু জ্বর জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ। এবং হাসপাতালে চিকিৎসার প্রয়োজন। আমরা যদি সুরক্ষিত থাকতে চাই তবে আমাদের মশা থেকে নিরাপদ থাকতে হবে। আপনি যদি একজন প্রাপ্তবয়স্ক বা বয়স্ক ব্যক্তি হন তাহলে আপনাকে জটিলতা সম্পর্কে আরো সতর্ক থাকতে হবে।
জরুরি অবস্থায়ঃ
১০৬৬
অ্যাপোলো লাইফলাইন ইন্টারন্যাশনালঃ
++৯১৪০৪৩৪৪১০৬৬
স্বাস্থ্য হেল্প লাইনঃ
১৮৬০-৫০০-১০৬৬
আরও পড়ুন
জ্বর হলে করণীয় কি? ঘরোয়া চিকিৎসা।
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে ১০ তথ্য জেনে নিন

ভাল ভাল